বনরক্ষীদের পিঠে চড়ে দ্বীপে ফিরল ১৫৮ ‘দানব’ কচ্ছপ

· Prothom Alo

ঐতিহাসিক গ্যালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জে ফিরল প্রাণচাঞ্চল্য। দীর্ঘ এক শতাব্দীরও বেশি সময় পর এ দ্বীপপুঞ্জের ফ্লোরিয়ানা দ্বীপে আবার রাজকীয় প্রত্যাবর্তন ঘটল ‘দানব’ কচ্ছপদের।

Visit xsportfeed.life for more information.

গত শুক্রবার ইকুয়েডরের পরিবেশ মন্ত্রণালয় জানায়, বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির ১৫৮টি কচ্ছপকে তাদের পুরোনো ভিটায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

তবে এ ফেরা সহজ ছিল না। আগ্নেয়গিরির পাথুরে পথ আর দুর্গম জঙ্গল পাড়ি দিতে বনরক্ষীদের রীতিমতো ঘাম ঝরাতে হয়েছে। বিশালাকার এসব কচ্ছপের খাঁচা পিঠে নিয়ে প্রায় ৭ কিলোমিটার দুর্গম পথ হেঁটে গন্তব্যে পৌঁছান তাঁরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৮০০ শতকের মাঝামাঝি মানুষের আনা অন্য প্রাণীর অত্যাচারে ফ্লোরিয়ানা দ্বীপ থেকে বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল স্থানীয় প্রজাতির কচ্ছপগুলো।

পরিবেশবিদদের মতে, এ কচ্ছপগুলো শুধু ওই দ্বীপের শোভা নয়; বরং ‘ইকোসিস্টেম ইঞ্জিনিয়ার’। এরা বীজ ছড়িয়ে দেওয়া ও বনের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তবে এ ফেরা সহজ ছিল না। আগ্নেয়গিরির পাথুরে পথ আর দুর্গম জঙ্গল পাড়ি দিতে বনরক্ষীদের রীতিমতো ঘাম ঝরাতে হয়েছে। বিশালাকার এসব কচ্ছপের খাঁচা পিঠে নিয়ে প্রায় ৭ কিলোমিটার দুর্গম পথ হেঁটে গন্তব্যে পৌঁছান তাঁরা।

গ্যালাপাগোস ন্যাশনাল পার্কের প্রজননকেন্দ্রে বিশেষ প্রক্রিয়ায় বড় করা হয়েছে এ কচ্ছপগুলো। দ্বীপে ছাড়ার আগে প্রতিটির শরীরে মাইক্রোচিপ বসিয়ে দেওয়া হয়েছে; যাতে এদের গতিবিধি নজরদারি করা যায়।

গ্যালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জ তার বৈচিত্র্যময় প্রাণিকুলের জন্য বিশ্ববিখ্যাত। এখানকার প্রাণীদের পর্যবেক্ষণ করেই চার্লস ডারউইন তাঁর বিবর্তনবাদের ধারণা দিয়েছিলেন। ‘দানবীয়’ কচ্ছপগুলো ২৫০ কেজির বেশি ওজনের হতে পারে এবং সবচেয়ে বেশি বয়সী কচ্ছপটি বেঁচে ছিল ১৭৫ বছর।

Read full story at source