‘দুষ্টুমি করবা না’: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে বললেন মির্জা আব্বাস
· Prothom Alo
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা–৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বাহাস বেশ আলোচিত হয়েছে। ভোটে জিতে এখন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা হয়েছেন মির্জা আব্বাস। আজ শনিবার সন্ধ্যায় জামায়াতে ইসলামীর ইফতার অনুষ্ঠানে মির্জা আব্বাসের সঙ্গে দেখা হয়েছিল নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর। এ সময় তিনি পাটওয়ারীকে বলেছেন, ‘দুষ্টুমি করবা না।’ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এক ফেসবুক পোস্টে এ কথা জানিয়েছেন।
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলনকেন্দ্রে জামায়াতের ইফতার অনুষ্ঠান ছিল। ফেসবুক পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী লিখেছেন, ইফতার শেষে বিদায় নেওয়ার সময় মির্জা আব্বাস যখন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে দুষ্টুমি না করার কথা বলেন, তখন তিনি জবাব দেন ‘ছোট ভাইয়ের সিট এভাবে কেড়ে না নিয়ে ছেড়ে দিলেও পারতেন।’
Visit extract-html.com for more information.
ওই ফেসবুক পোস্টে মির্জা আব্বাস ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গেও নিজের কথাবার্তা তুলে ধরেছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তবে ফেসবুক পোস্টে নেতাদের সঙ্গে কথোপকথনের যে ভাষ্য নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী তুলে ধরেছেন, তা ওই নেতাদের সঙ্গে কথা বলে যাচাই করতে পারেনি প্রথম আলো।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ফেসবুক পোস্টের স্ক্রিনশটনাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর পোস্টটি নিচে হুবহু তুলে ধরা হলো:
‘আজকের জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিলে সব রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা, গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, ইফতার পরিবেশনকারী কর্মী এবং নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত সদস্যদের সঙ্গে মুসাফাহ করার চেষ্টা করেছি।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথোপকথন—
জামায়াতে ইসলামীর আমিরকে বললাম, “আমার জন্য দোয়া করবেন।” তিনি বললেন, “ তোমার জন্য দোয়া ও দাওয়াহ দুইটাই রইল।”
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বললাম, “বাসার বুয়া প্রতিদিন ফ্যামিলি কার্ড চায়। এটা নির্বাচনে জেতার ভালো কৌশল ছিল।” তিনি বললেন, “এটা শুরু করেছি, খুব শিগগিরই সারা বাংলাদেশে চালু হবে।”
মঈন খানকে জিজ্ঞেস করলাম, “কেমন আছেন?” তিনি বললেন, “ভালো আছি, বাসায় আসবেন।”
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন ভাইকে বললাম, “শহীদ ওসমান হাদি ভাইয়ের হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত করবেন।” তিনি বললেন, “সঠিক বিচার নিশ্চিত করতে সময় লাগবে।”
এ সময় আব্বাস ভাইকেও বললাম, “ছোট ভাইয়ের সাথে এগুলো না করলেও পারতেন,” এবং তাকে আমার বাসায় ইফতারের দাওয়াত দিলাম।
ইফতার শেষে একই টেবিলে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলের নেতৃবৃন্দের কাছ থেকে বিদায় নেওয়ার সময় আবারও আব্বাস ভাই বললেন, “দুষ্টুমি করবা না।” জবাবে বললাম, “ছোট ভাইয়ের সিট এভাবে কেড়ে না নিয়ে ছেড়ে দিলেও পারতেন।”’